এই গোলে আক্রমণের শুরুতে ভূমিকা ছিল হামজার। বিরতির পর ৬২ মিনিটে ব্যবধান ৩-০ করেন রিয়ান ব্রেওয়েস্টার। যোগ করা সময়ে কভেন্ট্রির হয়ে জ্যাক রুদোনি একটি গোল শোধ করলেও সেটি ছিল শুধুই সান্ত্বনা। এ জয়ে শীর্ষে ওঠা শেফিল্ডের পয়েন্ট এখন ৩৯ ম্যাচে ৮৩ পয়েন্ট।
শেফিল্ডের মৌসুমের অন্যতম সেরা পারফর্ম করা ম্যাচে বাংলাদেশি তারকা হামজা ছিলেন দুর্দান্ত। শেফিল্ডের মিডফিল্ড দখলে রাখতে দারুণ ভূমিকা ছিল তাঁর। আক্রমণভাগ ও রক্ষণের সঙ্গে সংযোগ তৈরির ক্ষেত্রেও হামজা ছিলেন অনন্য। ভাগ্য ভালো হলে ম্যাচে গোলও পেয়ে যেতে পারতেন হামজা। বক্সের বাইরে থেকে তাঁর নেওয়া শট অল্পের জন্য গোল হয়নি।
তবে গোল না পেলেও এ ম্যাচে হামজার পারফরম্যান্স ছিল মুগ্ধতা জাগানোর মতোই। ম্যাচে ৪৮ বার বল স্পর্শ করা হামজা ফাইনাল থার্ডে পাস দিয়েছেন ৩টি। তাঁর দেওয়া তিনটি লং বলের দুটিই ছিল নিখুঁত। দুটি ট্যাকল করে জিতেছেন দুবারই। ডুয়েলেও তিনটির মধ্যে দুটিতে জিতেছেন হামজা।
এ ছাড়া ম্যাচে দুর্দান্ত একটি ব্লকও করেছেন হামজা। সব মিলিয়ে পারফরম্যান্সের জন্য তাঁকে ৭.৫ রেটিং দিয়েছে ফুটবলভিত্তিক পোর্টাল ফুটমব। পরিসংখ্যানের হিসাব বাদ দিলেও মাঠে হামজা ছিলেন অনন্য।
হামজার দল শেফিল্ড পরের ম্যাচ খেলবে আগামী ৫ এপ্রিল শনিবার। সেদিন রাত আটটায় অক্সফোর্ড ইউনাইটেডের মুখোমুখি হবে তারা।