০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫

সৌদি আরবে কেন গৃহকর্মীরা মরছে? লাশ হয়ে ফিরছেন শত শত নারী!

ডেস্ক নিউজ

বেঁচে ফেরাই ভাগ্যের ব্যাপার!” – সৌদিতে নারীদের দুঃসহ বাস্তবতা

আফ্রিকার কেনিয়া ও উগান্ডার হাজারো নারী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে যান। কিন্তু বাস্তবতা এতটাই ভয়াবহ যে, অনেকে আর জীবিত ফিরতে পারেন না! গত পাঁচ বছরে সৌদি আরবে কেনিয়ার ২৭৪ জন শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী।

নির্যাতন, না কি খুন? কেন মৃত্যুর প্রকৃত কারণ লুকানো হয়?

মৃত্যুর কারণ হিসেবে ট্রমা, আগুনে পুড়ে যাওয়া বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া বলা হলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্টে অসংগতি স্পষ্ট। অনেকেই অভিযোগ করেন, তাদের ওপর ভয়ংকর নির্যাতন চালানো হয়, যার কারণে অনেক নারী আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হন!

“আমরা পণ্য নই!” – কেন নারীদের মানুষ নয়, সামগ্রী হিসেবে বিক্রি করা হয়?

বিষয়টি এখানেই শেষ নয়! কিছু নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান তাদের ওয়েবসাইটে ‘অ্যাড টু কার্ট’ অপশনসহ গৃহকর্মী বিক্রির বিজ্ঞাপন দেয়! শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও, বাস্তবে নারীদের গৃহস্থালি পণ্যের মতোই কেনাবেচা করা হয়।

কেউ ফিরছেন কফিনে, কেউ ফিরছেন দগ্ধ শরীর নিয়ে!

সৌদি সরকার নির্যাতন বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি করলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। নির্যাতনের শিকার নারীরা দেশে ফিরতে চাইলে তাদেরই খরচ বহন করতে হয়। যারা ভাগ্যক্রমে বেঁচে ফেরেন, তারা গুরুতর আহত অবস্থায় আসেন, আর বাকিরা লাশ হয়ে ফেরেন!

এই নিষ্ঠুরতার অবসান কবে হবে? বিশ্ব কি এসব নারীদের জন্য কিছু করবে?

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০২:১৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
১৫

সৌদি আরবে কেন গৃহকর্মীরা মরছে? লাশ হয়ে ফিরছেন শত শত নারী!

আপডেট: ০২:১৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

বেঁচে ফেরাই ভাগ্যের ব্যাপার!” – সৌদিতে নারীদের দুঃসহ বাস্তবতা

আফ্রিকার কেনিয়া ও উগান্ডার হাজারো নারী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে যান। কিন্তু বাস্তবতা এতটাই ভয়াবহ যে, অনেকে আর জীবিত ফিরতে পারেন না! গত পাঁচ বছরে সৌদি আরবে কেনিয়ার ২৭৪ জন শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী।

নির্যাতন, না কি খুন? কেন মৃত্যুর প্রকৃত কারণ লুকানো হয়?

মৃত্যুর কারণ হিসেবে ট্রমা, আগুনে পুড়ে যাওয়া বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া বলা হলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্টে অসংগতি স্পষ্ট। অনেকেই অভিযোগ করেন, তাদের ওপর ভয়ংকর নির্যাতন চালানো হয়, যার কারণে অনেক নারী আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হন!

“আমরা পণ্য নই!” – কেন নারীদের মানুষ নয়, সামগ্রী হিসেবে বিক্রি করা হয়?

বিষয়টি এখানেই শেষ নয়! কিছু নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান তাদের ওয়েবসাইটে ‘অ্যাড টু কার্ট’ অপশনসহ গৃহকর্মী বিক্রির বিজ্ঞাপন দেয়! শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও, বাস্তবে নারীদের গৃহস্থালি পণ্যের মতোই কেনাবেচা করা হয়।

কেউ ফিরছেন কফিনে, কেউ ফিরছেন দগ্ধ শরীর নিয়ে!

সৌদি সরকার নির্যাতন বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি করলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। নির্যাতনের শিকার নারীরা দেশে ফিরতে চাইলে তাদেরই খরচ বহন করতে হয়। যারা ভাগ্যক্রমে বেঁচে ফেরেন, তারা গুরুতর আহত অবস্থায় আসেন, আর বাকিরা লাশ হয়ে ফেরেন!

এই নিষ্ঠুরতার অবসান কবে হবে? বিশ্ব কি এসব নারীদের জন্য কিছু করবে?